সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় পাঁচ মাসেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসা শেষে আজ দেশে ফিরছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস। দীর্ঘ চিকিৎসা শেষে বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থার বেশ উন্নতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির নেতারা। মেডিক্যাল বোর্ডের পরামর্শ অনুযায়ীই দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে মির্জা আব্বাসকে বহনকারী বিমানটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে। তার দেশে ফেরার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।
তিনি জানান,
রয়েছেন। চিকিৎসকদের পরামর্শ ও মেডিক্যাল বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তিনি দেশে ফিরছেন।
এর আগে গত ১১ মার্চ ইফতারে পানি পান করার সময় হঠাৎ জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন মির্জা আব্বাস। পরে তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় ওই দিন গভীর রাতে তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে কয়েকদিন চিকিৎসাধীন থাকার পরও শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
১৫ মার্চ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকা থেকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয় মির্জা আব্বাসকে। সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলে। পরবর্তীতে আরও উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন হওয়ায় তাকে সিঙ্গাপুর থেকে মালয়েশিয়ায় নেওয়া হয়। দুই দেশে দীর্ঘ সময় চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণের পর তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
দীর্ঘ পাঁচ মাসেরও বেশি সময় বিদেশে চিকিৎসা নেওয়ার পর চিকিৎসকদের পরামর্শে এবার দেশে ফিরছেন বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা। তার দেশে ফেরার খবরে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যেও স্বস্তি ফিরেছে।
রাজনীতির পাশাপাশি জাতীয় সংসদেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন মির্জা আব্বাস। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ঢাকা-৮ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বর্তমানে তিনি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দলের গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে রয়েছেন।
দীর্ঘ চিকিৎসা শেষে দেশে ফেরার পর মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থা আরও স্থিতিশীল হবে এবং তিনি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ফিরতে পারবেন—এমন প্রত্যাশা করছেন তার দলীয় সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।
মন্তব্য লিখুন
আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রয়োজনীয় ঘরগুলো * চিহ্নিত।